বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং, সকাল ৮:৩১
শিরোনাম :
চরামদ্দিতে পেনশনের টাকায় গড়া স্বপ্নে আঘাতঃ বিষ প্রয়োগে তিন পুকুরের মাছ নিধন মুসলিম নিকাহ্ রেজিস্ট্রার কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে বরিশালের নবাগত জেলা রেজিস্ট্রারকে কে ফুলেল শুভেচ্ছা বরিশালে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত এক স্বাচিপ নেতাকে হটিয়ে আরেক স্বাচিপ নেতাকে আনলো ড্যাব! জালীলুল কুরআন মাদ্রাসায় হাফেজদের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স শেষে সার্টিফিকেট বিতরণ যুবলীগ নেতা,নতুন পরিচয়ে ভিন্ন কায়দায় চাঁদাবাজির রামরাজত্ব কায়েমের চেষ্টা সাংবাদিকদের কল্যাণে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে: তথ্যমন্ত্রী আগস্টের মধ্যেই বাস্তবায়িত হচ্ছে নতুন পে-স্কেল হুথিরা কোথা থেকে হামলা চালাচ্ছে খুঁজে পাচ্ছে না সৌদি আরব আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী

দুই নবজাতক পাচারের দায়ে দুজনের যাবজ্জীবন

ডেক্সরিপোর্ট: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে দুই  নবজাতক পাচারের মামলায় দুই মানব পাচারকারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩-এর বিচারক জয়শ্রী সমাদ্দার এ রায় দেন।

দণ্ডিত দুই আসামি হলেন সিরাজগঞ্জের ঝর্ণা বেগম ও নারায়ণগঞ্জের মানিক। রায় ঘোষণার পর আসামিদের কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। এই মামলা থেকে দুই আসামি খালাস পেয়েছেন। তাঁরা হলেন আবদুল মতিন ও শিলা বেগম।

দুই নবজাতক চুরি ও পাচারের অভিযোগে ২০০৬ সালের ১২ জানুয়ারি খিলগাঁও থানায় মামলা করেন উপপরিদর্শক (এসআই) এনামুল কবীর। মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৬ সালের ৬ জানুয়ারি খিলগাঁও এলাকায় ঝর্ণা বেগম ৮ থেকে ১০ দিন বয়সী ছেলে নবজাতকসহ আটক হন।

ঝর্ণা বেগম তখন জিজ্ঞাসাবাদের সময় স্বীকার করেন, ওই বাচ্চা তাঁর নয়। এ ছাড়া তাঁর হেফাজতে আরও একটি কন্যা নবজাতক আছে রামপুরায়। তখন পুলিশ রামপুরা থেকে ওই নবজাতককে উদ্ধার করে। ঝর্ণা জানান, ছেলেশিশুটি তিনি নিয়ে আসেন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার মানিক মিয়ার কাছ থেকে।

পরে মানিক মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আর কন্যাশিশুটি তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দারোয়ান আবদুল মতিনের কাছ থেকে নিয়ে আসেন বলে পুলিশকে জানান।

তদন্ত শেষে খিলগাঁও থানার এসআই আবুল খায়ের ঝর্ণা বেগমসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০০৬ সালের ২৬ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দেন। অভিযোগপত্রে বলা হয়, নবজাতক দুটির প্রকৃত অভিভাবক পাওয়া যায়নি। মামলায় ১৫ জনের মধ্যে ৯ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

আসামি মানিক ও ঝর্ণা বেগম বাচ্চা দুটি চুরি করার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। ঝর্ণাকে গ্রেপ্তার করার পর আদালতকে পুলিশ এক প্রতিবেদন দিয়ে জানিয়েছিল, ঝর্ণা বেগম শিশু বাচ্চা সংগ্রহ করে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পাচার করেন। দীর্ঘদিন তিনি দুবাইতে ছিলেন।